খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সহানুভূতি দেখিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা

বিএনপি চেয়ারপারসনকে উন্নত চিকিৎসায় বিদেশে পাঠানোর দাবি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়াকে বাড়িতে থাকার অনুমতি এবং দেশে সর্বোত্তম চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দিয়ে তার সরকার সর্বোচ্চ সহানুভূতি দেখিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সরকার বিরাট উদারতার পরিচয় দিয়েছে।

বুধবার রাজধানীতে যুবলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও চলমান আশ্রয়ণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা।

দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে মর্যাদা পেয়েছে। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্য নিয়ে। বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার তারুণ্যের শক্তিকেই গুরুত্ব দিয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্যে আমরা চলছি, সেটা বাস্তবায়নে তারুণ্যের শক্তির ওপরই নির্ভর করছি। আমরা তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে প্রস্তুত করতে চাই।

তরুণসমাজকে সেই পথে এগিয়ে নিতে তাদের শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার পাশাপাশি যুবসমাজের উন্নয়নে তার সরকার গৃহীত নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এটাই যে এই যুবসমাজ দেশ-বিদেশে যেখানেই যাক, কাজ করবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আর সে কারণেই আমরা আমাদের যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছি ২০১৮ সালে, সেখানে কিন্তু আমরা বলেছি- তারুণ্যের উন্নতি, বাংলাদেশের সমৃদ্ধি।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ে তোলা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা বলা এবং বিজ্ঞানভিত্তিক প্রগতিশীল ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন- এই লক্ষ্যগুলো সামনে নিয়ে যদি সত্যিই যুবলীগ গড়ে ওঠে, তাহলে এ দেশের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল। আর আমরা যে আর্থসামাজিক জায়গায় উন্নতি করেছি, সে মতেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমাদের চেয়ারম্যান সাহেব (পরশ) যে চমৎকার বক্তৃতা দিয়েছে, এরপর মনে হয় আমার কিছু বলার থাকে না। সে নির্দেশনা যেগুলো দিয়েছে, সেগুলো মেনে চললেই যথেষ্ট।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আজ যুবলীগ প্রায় ৬১টি পরিবারকে ঘর তৈরি করে দেওয়ার যে প্রকল্প নিয়েছে, বাস্তবায়ন করেছে- এভাবেই মানুষের সেবা করা দরকার।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন প্রান্তে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ প্রমুখ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.